1. : admin :
টানা বর্ষণে তলিয়ে গেল শত শত বিঘা পাকা ধান, চরম ক্ষতির মুখে কৃষক - যায়যায় সময়
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালীগঞ্জে নরুণ উচ্চ বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন সিনিয়র সাংবাদিক শাহ্ সামসুল হক রিপন সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক জহিরুলকে মামলায় জড়ানোর অভিযোগ গাজীপুর সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটিতে ক্রীড়ানুরাগী সেলিম ভূঁইয়া সন্ধান চাই: গাজীপুর বানিয়ারচালা থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন উম্মে হানী নিখোঁজ সাংবাদিক মিলন মিয়া’র বাবা মফিজ উদ্দিনের জানাযা রোববার-১১ই অক্টোবর বাদ আসর অনুষ্ঠিত হইবে। সাংবাদিক মিলন মিয়ার বাবা মফিজ উদ্দিনের ইন্তেকালে গাজীপুর সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক ঘরের বাইরে তালা, ভেতরে আগুন: গাজীপুরে যুবকের মৃত্যু ঘিরে রহস্য শ্রীপুরে জমি দখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ শিরিরচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেন্টাল বিভাগের নতুন পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আলী আকবর পলান

টানা বর্ষণে তলিয়ে গেল শত শত বিঘা পাকা ধান, চরম ক্ষতির মুখে কৃষক

শেখ রমজান হাসান (নূর) | নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

শেখ রমজান হাসান নূর 

নিজস্ব প্রতিবেদক | যায়যায় সময় 

“রবিবারে কাজের লোক খুঁজছি। কাজের লোক না পেয়ে ধান কাটতে পারিনি। রাতে একদিনের বৃষ্টিতেই এখন সব ধান পানির নিচে। এত খরচ—সব জলে গেল।” আক্ষেপ করে কথাগুলো বলছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার হালুকাইদ গ্রামের বাসিন্দা দ্বীন মোহাম্মদ ও বাচ্চু মিয়া।

সোমবার রাত ও সকালে টানা ভারি বর্ষণে গ্রামটির শত শত বিঘা পাকা ধানক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এর আগে রোববার দিবাগত রাতেও বৃষ্টি হয়। দুই দফা বৃষ্টিতে কৃষকরা চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

সোমবার দুপুর ৩টার দিকে হালুকাইদ গ্রামে সরেজমিনে দেখা যায়, পারুলী নদী ও রান্দুনির খালের দুই পাশের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ পানিতে ডুবে গেছে। কোথাও কোথাও পানির ওপর পাকা ধানের শীষ আংশিক দেখা যাচ্ছে। খালের পাড় উপচে পানি প্রায় সড়কের কাছাকাছি চলে এসেছে।

সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে পানিতে তলিয়ে যাওয়া নিজের ধানক্ষেত দেখছিলেন কৃষক দ্বীন মোহাম্মদ, বাচ্চু মিয়া, আব্দুল বাতেন ও ফারুক হোসেন (মিষ্টন)। তারা জানান, গ্রামের শতাধিক বিঘা জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এত দ্রুত এমন বড় ক্ষতি হবে, তা কেউ ভাবতে পারেননি। এছাড়া শ্রমিক সংকটের কারণে সময়মতো ধান কাটতে পারেননি অধিকাংশ কৃষক।

স্থানীয় কৃষক ও গণমাধ্যমকর্মী মাহবুবুল আলম জানান, তার প্রায় ৫ বিঘা জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, “সকাল থেকে টানা ভারি বর্ষণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানি কমলে হয়তো ধান কাটা যাবে, তবে অর্ধেক ফলনও পাওয়া যাবে না।”

একই গ্রামের কৃষক মুক্তা মনি বলেন, “সোমবার সকাল থেকে ধান কাটার কথা ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে শুরু করা যায়নি। এখন সব ধান পানির নিচে।”

গ্রামের জহিরুল ইসলাম, মো. রুবেল ও মোতালেব মিয়া জানান, বৃষ্টি না হলে এক-দুই দিনের মধ্যে কিছু ধান ভেসে উঠতে পারে। তবে এসব ধান কেটে মাড়াই করলে অর্ধেক দামও পাওয়া যাবে না।

কৃষকদের ভাষ্যমতে, এ বছরের ফসলের পেছনে যে খরচ হয়েছে, তার বেশিরভাগই লোকসান হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানার দপ্তরে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized BY LatestNews
ভাষা পরিবর্তন করুন »