সম্প্রতি দৈনিক যুগান্তর, বাংলাভূমি ও আলোকিত প্রতিদিনসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে মেসার্স উপবন ফিলিং স্টেশনকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। উক্ত সংবাদে ড্রামে তেল ভরার যে ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছে, তা নিয়ে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।
প্রকৃত ঘটনা ও ম্যানেজার আহসান হাবিবের বক্তব্য:
প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে মেসার্স উপবন ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আহসান হাবিব বলেন:
"সংবাদমাধ্যমে ড্রামে তেল ভরার যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি মূলত দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান 'হেলথকেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড'-এর নিজস্ব জেনারেটর চালানোর জন্য বরাদ্দকৃত তেল। ওষুধ একটি অতি জরুরি ও জীবনরক্ষাকারী পণ্য, যার উৎপাদন সচল রাখা অপরিহার্য। উক্ত প্রতিষ্ঠানটি তাদের কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে নিয়ম মেনে এবং সরকারি ‘ফুয়েল কার্ড’ ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন সাপেক্ষেই আমাদের স্টেশন থেকে তেল সংগ্রহ করছিল। একটি জীবনরক্ষাকারী ওষুধ কোম্পানির বৈধভাবে তেল সংগ্রহের ছবিকে ‘পাচার’ বা ‘কালোবাজারি’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।"
কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা:
জরুরি সেবায় অগ্রাধিকার: ওষুধ শিল্পের মতো স্পর্শকাতর এবং জরুরি খাতের জন্য সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আমরা জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করে আসছি। সাধারণ চালকদের তেলের সংকটের সাথে এই বৈধ সরবরাহের কোনো সম্পর্ক নেই, কারণ শিল্পকারখানার জন্য বরাদ্দ প্রক্রিয়া ভিন্ন।
চাহিদা ও যোগান: বর্তমানে তেলের বরাদ্দ কম থাকায় সাধারণ যানবাহনের দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে। আমরা সাধ্যমতো সবাইকে তেল দেওয়ার চেষ্টা করছি, কিন্তু তেল শেষ হয়ে গেলে পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে আমরা বাধ্য হই।
বিভ্রান্তি নিরসন: একটি প্রতিষ্ঠিত ওষুধ কোম্পানির জরুরি প্রয়োজনে তেল নেওয়ার ছবি ব্যবহার করে ‘সিন্ডিকেট’ বা ‘পাচার’ শব্দ প্রয়োগ করা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। এটি কেবল প্রতিষ্ঠানেরই নয়, বরং জরুরি সেবা প্রদানকারী একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানেরও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার শামিল।