শ্রীপুর পৌরসভার নির্বাচনের ফলাফল কারচুপি, কর্মী সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ-কাউন্সিলর প্রার্থী মহসিন

Top News

শেখ রমজান হাসান নূর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যায়যায় সময়.কম
গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভা নির্বাচনে ফলাফল প্রকাশে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ , রোববার দুপুর ১টায় কেওয়া চন্নাপাড়া গ্রামে ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. মহসিন তাঁর নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনে ফলাফল কারচুপির অভিযোগ করেন।
৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো. মহসিন (পাঞ্জাবী) দুপুর ১টায় তাঁর নিজ বাড়িতে ভোটগ্রহণ ডিজিটাল এবং সুষ্ঠু হলেও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পরিবর্তিত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবী করেন। নির্বাচনের পর তাঁর কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগও করেন তিনি।

তিনি বলেন, এক কেন্দ্রের ফলাফল দেয়া হয়েছে ডিজিটাল প্রিন্টের মাধ্যমে আরেক কেন্দ্রের ফলাফল দেয়া হয়েছে নির্দিষ্ট ফরমে হাতে লিখে, তাও আবার ভুল লেখা। ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের আগে তাঁর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হছে। ভোটগ্রহণ শুরুর আগে ফলাফলপত্রে তাঁর এজেন্টদের কাছ থেকে আগাম স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের পর ফলাফল যদি ডিজিটাল পদ্ধতিতে দেয়া হতো তাহলে তাঁর পাঞ্জাবী প্রতীক বিজয়ী ঘোষণা করতে হত।

ফলাফল প্রকাশের পর শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাঁর নির্বাচনী কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। ওই ঘটনায় চন্নাপাড়া গ্রামের মো. কবির হোসেনের স্ত্রী মোছা. পারভীনের ছেলে রোববার রাতেই শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এতে একই গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে শফিক, হাসেন আলীর ছেলে মজিবুর, নাজিম উদ্দিনের ছেলে আমিনুলের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা কমপক্ষে ৫জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান, ঘটনা তদন্তে একজন উপ পরিদর্শককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

নির্বাচনে রিটার্ণিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কাজী মো. ইস্তাফিজুল হক আকন্দ সাংবাদিকদের বলেন, প্রার্থীদের অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। ফলাফল হাতেই লিখে দেয়ার নিয়ম। তাছাড়া যখন তাঁর এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে তখনই অভিযোগ করার দরকার ছিল। যারা অভিযোগ করেছেন তাদের অভিযোগ আমলে নিয়ে তাৎক্ষণিক সমাধান দেয়া হয়েছে।