ভাওয়াল গড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ের মালা – আলহাজ্ব আবু বকর ছিদ্দিক এর গলায়-যায়যায় সময়

জাতীয় প্রধান খবর রাজনীতি শিরোনাম সারাদেশ

শেখ রমজান হাসান (নূর)
নিজস্ব প্রতিবেদক:
যায়যায় সময়. কম

ভাওয়াল গড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১৬৫ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ্ব আবু বকর ছিদ্দিক।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ধানের শীষ আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক মোট ভোট পেয়েছে ১৪১০০ বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি আবুল হোসেন লাঙ্গল প্রতীক মোট ভোট পেয়েছন ৪৪৪ ভোট,স্বতন্ত্র মোঃ গোলাপ মিয়া রজণীগন্ধা প্রতীক নিয়ে মোট
ভোট পেয়েছেন ৬৭২ ভোট, আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ্ মোঃ ওমর ফারুক আনারস
প্রতীক নিয়ে মোট ভোট পেয়েছেন ৮৩৪, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী নৌকার মাঝি আলহাজ্ব সালাহ্ উদ্দিন সরকার মোট ভোট পেয়েছেন ১৩৯৩৫ ভোট। আলহাজ্ব আবু বকর ছিদ্দিক ১৬৫ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ, ভোট গ্রহণ ও প্রদানে স্বাভাবিক গতি নির্বাচনের অনুকূলে ছিল বলে জানিয়েছেন ভোটারসহ সংশ্লিষ্টরা।কেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশি।

তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের ভোটগ্রহণ কোনোরকম সহিংসতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। বৃস্হপ্রতিবার ভাওয়ালগড়, পিরুজালী ও মির্জাপুরের তিনটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বাঘের বাজার ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়ে ফেরার পথে জমিলা খাতুন (৩৫) বলেন, ভোটের জন্য তার স্বামীও তাকে কোনো চাপ দেননি। লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে সংশ্লিষ্টদের সহায়তায় তিনি তার স্বাধীন মত প্রকাশ করেছেন।

শিরিরচালা গ্রামের নাসরিন (৩৯) বলেন, ভোটের আগের রাতে বৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। ভোটারদের যাতায়াতে সারাদিন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

বাঘেরবাজার উচ্চ বিদ্যালয় পুরুষ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার অধ্যাপক অধ্যাপক আব্দুল মতিন জানান, এ কেন্দ্রে মোট ভোটার তিন হাজার পাঁচ’শ ৯৫।

একই উচ্চ বিদ্যালয়ের নারী কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, স্বাভাবিক গতিতে যথা সময়ে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। দুই ঘন্টায় ২২ ভাগ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তার কেন্দ্রে মোট ভোটার তিন হাজার পাঁচ’শ ৮১ ।

ভোটার সানজিদা সুলতানা বলেন, জীবনে বেশ কয়েকবার ভোট দিয়েছেন। এবারের ভোট প্রদান করে অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেছি। কেন্দ্রে ঢুকেই নিজের ভোটার নাম্বার পেয়ে গেছি। খুব সহজেই ভোট দিয়ে বেরিয়ে গেছি।

করিমননেছা বলেন, বৃদ্ধ হওয়ায় অনেকে সহযোগিতা করেছেন দ্রুত ভোট দিতে। কাকে ভোট দিতে হবে এজন্য কেউ তাকে কোনো পরামর্শ দেয়নি। কিন্তু ভোট চেয়েছেন অনেকে। নিজের পছন্দমতো ভোট দিয়ে ফিরেছেন।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেন, কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেছি। বিশৃঙ্খলা পরিবেশের কোনো অভিযোগ প্রার্থীদের কাছ থেকে পাইনি, পরিবেশও ছিল সুশৃঙ্খল।

ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার ড. মো. মামুনুর রশীদ বলেন, তার কেন্দ্রে মোট ভোটার দুই হাজার পাঁচ’শ ১৩। মোট ভোটগ্রহণ হয়েছে প্রায় এক হাজার ৯’শ।

……………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………….
সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ পেতে এখনই যায়যায় সময়.কম এর পেইজে লাইক দিয়ে যায়যায় সময় এর সাথেই থাকুন।
এগিয়ে যাব সত্যের সাথে যায়যায় সময়.কম।
লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করুন ।