ঈদুল আযহার গুরুত্ব তাৎপর্য

Top News এক্সক্লুসিভ জাতীয় ঢাকা বিভাগ প্রধান খবর শিরোনাম সারাদেশ

ঈদুল আযহার তাৎপর্য

লেখক:- মাওলানা মোঃ মেহেদী হাসান
প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম
মরহুম হাজী গিয়াসউদ্দিন রওজাতুল বানাত মহিলা মাদ্রাসা।

প্রচারে: যায়যায় সময়.কম

রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এরশাদ করেন:
ان لكل قوم عيدا وهذا عيدنا
প্রত্যেক জাতির জন্য একটা ঈদের দিন আছে, খুশির দিন আছে।
আর এটা হলো আমাদের ঈদের দিন, আমাদের খুশির দিন।
এই দিনে মুসলমানগন আনন্দ করে, উৎসব করে ।
এই উৎসব কিসের? আর কেনই বা এই আনন্দ ? এই আনন্দ কোরবানির আনন্দ, উৎসর্গ করার আনন্দ । শুধু ভোগে নয় ত্যাগেও আনন্দ আছে ।
মা-বাবা নিজেদেরকে বঞ্চিত রেখে সন্তানকে খাইয়ে- সাজিয়ে আনন্দ পায়, ত্যাগী মানুষেরা অপরকে দিয়েও অনাবিল আনন্দ লাভ করে, ও আনন্দ অনুভব করে ।
এই আনন্দের কোন তুলনা নেই ইসলামই একমাত্র ধর্ম যার অনুসারীগণ প্রভুর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে জানমাল কুরবানী করে তৃপ্তি লাভ করে, আনন্দ প্রকাশ করে ।তার প্রমাণ করেছে ত্যাগেই আনন্দ।
এই আনন্দের মাঝে কোন অহংকার নেই,
অহমিকা নেই, আমিত্ব নেই, বড়ত্ব নেই, দাম্ভিকতা নেই।
আছে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জানমাল উৎসর্গ করা। আর আল্লাহর বড়ত্বের জয়গান। আছে শুধু তাকবীর ধ্বনি আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষণা:
الله اكبر الله اكبر لا اله الا الله والله اكبر الله اكبر ولله الحمد

কোরবানির দিনে আল্লাহ তাআলার কাছে সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হলো কুরবানীর আমল। পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যায়। সুতরাং কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার পরও যে ব্যক্তি কোরবানি করে না তাকে ঈদগাহে আসতে নিষেধ করা হয়েছে।

তাই আসুন কুরবানীর দিনে আল্লাহ তাআলাকে রাজি-খুশি করার জন্য আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টির জন্য আমরা পশু কোরবানির করি।
পাশাপাশি পশু জবাই করার মাধ্যমে আমাদের নিজেদের নফসিয়ত তথা পশুত্বকে হত্যা করি।
শুধু বাজার থেকে মোটা তাজা হৃষ্টপুষ্ট গরু ছাগল কিনে জবা করিলে হবে না, তার সাথে সাথে আমাদের ভেতরের পশুটিকে কোরবানি করতে হবে তাহলেই আমাদের এই কোরবানি সার্থক হবে। আল্লাহ তা’আলা আমাদের সবাইকে কবুল করে নিন আমীন।
মাওলানা মোঃ মেহেদী হাসান
প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম
মরহুম হাজী গিয়াসউদ্দিন রওজাতুল বানাত মহিলা মাদ্রাসা।